আমরা কারা, কেন তৈরি হয়েছি এবং বাংলাদেশের বেটারদের জন্য আমাদের লক্ষ্য কী — সেই গল্পটা এখানে আছে।
বাংলাদেশের প্রতিটি বেটারের কাছে একটি নিরাপদ, স্বচ্ছ ও আনন্দদায়ক অনলাইন গেমিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া। candycasino-র প্রতিটি সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে থাকে ব্যবহারকারীর সন্তুষ্টি ও বিশ্বাস।
দক্ষিণ এশিয়ার অনলাইন বেটিং জগতে একটি বিশ্বমানের প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা যেটি বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও মানুষের পছন্দ বোঝে। প্রযুক্তি ও মানবিক পরিষেবার সমন্বয়ে একটি আলাদা অভিজ্ঞতা তৈরি করা।
দায়িত্বশীল গেমিং, ন্যায্য অডস এবং দ্রুত পেআউট — এই তিনটি বিষয়ে আমরা কোনো আপস করি না। প্রতিটি সদস্যের অর্থ ও ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
ছয়টি কারণে আমরা অন্যদের থেকে আলাদা
candycasino আন্তর্জাতিক লাইসেন্সপ্রাপ্ত এবং ২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশন ব্যবহার করে। আপনার ব্যক্তিগত তথ্য ও আর্থিক লেনদেন সবসময় এনক্রিপ্টেড থাকে। তৃতীয় পক্ষের সাথে কোনো তথ্য শেয়ার করা হয় না — এটা শুধু কথা নয়, আমাদের প্রাইভেসি পলিসিতে স্পষ্টভাবে লেখা আছে।
জেতার পর টাকা পেতে দেরি হওয়া সবচেয়ে বিরক্তিকর অভিজ্ঞতা। candycasino-তে যাচাই করা অ্যাকাউন্ট থেকে উইথড্র সাধারণত ১৫ মিনিট থেকে ২ ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন হয়। bKash, Nagad এবং Rocket-এর মাধ্যমে সবচেয়ে দ্রুত টাকা পাওয়া যায় — বাংলাদেশের মানুষের সুবিধা মাথায় রেখেই এই সিস্টেম তৈরি।
অডস যত বেশি, জিতলে তত বেশি পাবেন — এটা সহজ সত্য। candycasino ক্রিকেট, ফুটবল এবং অন্যান্য স্পোর্টসে বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে প্রতিযোগিতামূলক অডস দেওয়ার চেষ্টা করে। অনেক ম্যাচেই আমাদের অডস প্রতিযোগীদের তুলনায় ৫–১৫% বেশি থাকে — পার্থক্যটা সময়ের সাথে বড় হয়।
বাংলাদেশে ৯০% এরও বেশি মানুষ মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। candycasino-র পুরো প্ল্যাটফর্ম মোবাইলের কথা মাথায় রেখে ডিজাইন করা। কম ডেটা খরচ, দ্রুত লোডিং এবং একহাতে অপারেট করার উপযোগী ইন্টারফেস — ধীরগতির নেটওয়ার্কেও স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবহার করা যায়।
যেকোনো সমস্যায় ২৪ ঘণ্টা, সপ্তাহের সাতদিন বাংলায় সাপোর্ট পাওয়া যায়। লাইভ চ্যাট, ইমেইল এবং ফোনে — যেভাবে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন সেভাবে যোগাযোগ করুন। আমাদের সাপোর্ট টিম বাংলাদেশের সময় অনুযায়ী সজাগ থাকে এবং গড়ে তিন মিনিটের মধ্যে সাড়া দেয়।
candycasino-তে প্রতিটি বেট ও গেমে পয়েন্ট জমে। এই পয়েন্ট দিয়ে ক্যাশ বোনাস, ফ্রি স্পিন বা বিশেষ পুরস্কার রিডিম করা যায়। চারটি স্তরের লয়্যালটি প্রোগ্রামে — ব্রোঞ্জ থেকে প্লাটিনাম পর্যন্ত — নিয়মিত সদস্যরা ক্রমশ বেশি সুবিধা পান। নিষ্ক্রিয় সদস্যরাও পুরস্কৃত হন দৈনিক লগইন স্পিনের মাধ্যমে।
একটি ছোট দল থেকে বাংলাদেশের অন্যতম বড় প্ল্যাটফর্মে পরিণত হওয়ার গল্প।
আমরা চাই প্রতিটি বাংলাদেশি বেটার যখন candycasino খোলেন, তখন শুধু একটা বেটিং সাইট নয় — একটা বিশ্বস্ত সঙ্গী খুঁজে পান।
— CandyCasino প্রতিষ্ঠাতা দলযাঁরা প্রতিদিন candycasino-কে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন
আমাদের সাপোর্ট টিমে আছেন ৫০+ বাংলাদেশি পেশাদার যাঁরা সদস্যদের সেবায় প্রতিদিন কাজ করেন। প্রযুক্তি, কাস্টমার কেয়ার ও ডেটা অ্যানালিটিক্স মিলিয়ে মোট দলের আকার ১৫০ ছাড়িয়েছে।
অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্মের কথা উঠলে বাংলাদেশের অনেক ব্যবহারকারীর মাথায় প্রথমে আসে — ভাষার সমস্যা, পেমেন্টের জটিলতা, আর সাপোর্টের অভাব। candycasino তৈরি হয়েছিল ঠিক এই তিনটি সমস্যার সমাধান করতে। শুরু থেকেই লক্ষ্য ছিল একটাই — বাংলাদেশের মানুষের জন্য, বাংলায়, একটা প্ল্যাটফর্ম বানানো যেটা আসলে তাদের কথা ভেবে ডিজাইন করা।
২০১৯ সালে যখন candycasino-র যাত্রা শুরু হয়, তখন টিমে ছিলেন মাত্র কয়েকজন। কিন্তু একটা স্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি ছিল — বেটিং প্ল্যাটফর্মকে শুধু একটা লেনদেনের জায়গা না রেখে একটা অভিজ্ঞতায় পরিণত করা। সেই দৃষ্টিভঙ্গি থেকে সরে না গিয়ে আজ candycasino বাংলাদেশের লক্ষাধিক মানুষের বিশ্বাসের জায়গা হয়ে উঠেছে।
অনেক আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশের বাজারে কাজ করে, কিন্তু তারা মূলত ইংরেজিভাষী বাজারের জন্য তৈরি। ভাষার অনুবাদ থাকলেও স্থানীয় পেমেন্ট, স্থানীয় স্পোর্টস কভারেজ এবং স্থানীয় সময়ের সাপোর্ট — এই বিষয়গুলো তাদের ডিজাইনের কেন্দ্রে থাকে না।
candycasino-তে বিষয়টা উল্টো। আমরা প্রথমে ভাবি বাংলাদেশের একজন ব্যবহারকারীর সুবিধার কথা। তাই bKash আর Nagad আমাদের প্রথম পেমেন্ট মেথড হিসেবে যুক্ত হয়েছে, ইংরেজি ব্যাংক ট্রান্সফার নয়। তাই ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি মার্কেট পাওয়া যায়, কারণ এটাই এখানকার মানুষের সবচেয়ে প্রিয় খেলা। তাই সাপোর্ট বাংলায় এবং বাংলাদেশের সময়ে কাজ করে।
অনলাইন গেমিং নিয়ে দায়িত্বশীলতার কথা অনেকেই বলে, কিন্তু কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার সংখ্যা কম। candycasino-তে প্রতিটি অ্যাকাউন্টে স্ব-বর্জন বিকল্প আছে, ডিপোজিট সীমা নির্ধারণ করার সুবিধা আছে এবং সমস্যার লক্ষণ দেখলে সাপোর্ট টিম নিজে থেকে যোগাযোগ করে। এটা আমাদের "দায়িত্বশীল খেলা" পেজে শুধু লেখা নেই — এটা আমাদের অভ্যন্তরীণ নীতিমালায় বাধ্যতামূলক।
আমরা বিশ্বাস করি একজন সুখী, সুস্থ ব্যবহারকারী দীর্ঘমেয়াদে candycasino-র জন্যও ভালো। তাই শুধু নতুন সদস্য আনার চেয়ে বিদ্যমান সদস্যদের ভালো রাখাতে আমরা বেশি বিনিয়োগ করি — এই মানসিকতাটাই আমাদের প্রতিযোগীদের থেকে আলাদা করে।
candycasino-র পেছনে যে প্রযুক্তি আছে সেটা প্রতিনিয়ত আপডেট হচ্ছে। লাইভ বেটিংয়ের অডস রিয়েল-টাইমে আপডেট হয়, পেমেন্ট সিস্টেম ব্যর্থতার বিরুদ্ধে একাধিক ব্যাকআপ লেয়ার আছে এবং সার্ভার আপটাইম ৯৯.৯% এর বেশি বজায় রাখা হয়। খেলা শুরু হওয়ার আগে বা মাঝে প্ল্যাটফর্ম ডাউন হলে যে বিরক্তি তৈরি হয়, সেটা এড়াতে আমরা প্রতি বছর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিনিয়োগ করি।
মোবাইল অ্যাপের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। বাংলাদেশের নেটওয়ার্ক পরিস্থিতি মাথায় রেখে আমাদের অ্যাপ ধীরগতির সংযোগেও কার্যকরভাবে কাজ করে। ডেটা কনজাম্পশন কমাতে ইমেজ এবং ভিডিও অটোমেটিক্যালি অপ্টিমাইজ হয়।
candycasino থেমে নেই। আগামী বছরগুলোতে আরও বেশি স্থানীয় খেলার মার্কেট যুক্ত হবে — কাবাডি এবং হ্যান্ডবল সহ। বাংলাদেশের আরও দূরের এলাকার মানুষের কাছে পৌঁছাতে অ্যাপের হালকা সংস্করণ তৈরির কাজ চলছে। এছাড়া আরও বেশি ভাষায় সাপোর্ট এবং স্থানীয় ক্রীড়া টুর্নামেন্টে স্পনসরশিপের পরিকল্পনাও আছে।
আমরা বিশ্বাস করি বাংলাদেশের অনলাইন গেমিং বাজার এখনো বিকাশমান এবং এই বিকাশে candycasino একটি দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে চায়। শুধু ব্যবসার দিক থেকে নয়, সামাজিক দায়বদ্ধতার দিক থেকেও।
candycasino-র লক্ষাধিক সদস্যের সাথে যোগ দিন। নিবন্ধন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং ২০০% ওয়েলকাম বোনাস দিয়ে শুরু করুন।